Porto

পর্তুগালের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পোর্তু দেশের উত্তরে দোরো নদীর মোহনায় অবস্থিত। পৌর এলাকার জনসংখ্যা প্রায় 2.73 লাখ; এটি প্রায় 19 লাখ মানুষের মহানগর এলাকার কেন্দ্রে। এর ঐতিহাসিক কেন্দ্র, দোম লুইস প্রথম সেতু এবং সেরা দু পিলার মঠ একসঙ্গে 1996 সাল থেকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত।

শহরের নাম থেকেই পোর্ট ওয়াইনের নাম, যা দীর্ঘকাল ধরে নদীর ওপারের ভিলা নোভা দে গাইয়ার ভান্ডারে পরিপক্ব করে জাহাজে পাঠানো হয়ে আসছে। শহরের নামে নামকরণ করা মধ্যযুগীয় পোর্তুকালে কাউন্টি পরবর্তী সময়ে পর্তুগাল কাউন্টি হয়। পর্যটকেরা আসেন পুরোনো শহরের খাড়া রাস্তা ও টালি-সজ্জিত গির্জা, নদীতীরের রিবেইরা, ক্লেরিগুশ টাওয়ার, সাঁও বেন্তো স্টেশনের আজুলেজো টালির প্যানেল, ফজের আটলান্টিক তীর এবং উজানের দোরো উপত্যকার আঙুরখেতের জন্য। সংক্ষিপ্ত সফরে ঐতিহাসিক কেন্দ্রের অ্যাপার্টমেন্ট উপযুক্ত; পরিবার ও দীর্ঘ সফরে বোয়াভিশতা, ফজ ও গাইয়ায় বেশি জায়গা পাওয়া যায়। ব্রাগা ও গিমারায়েশেও সহজে যাওয়া যায়।

পোর্তুতে কোথায় থাকবেন

সে, ভিতোরিয়া, সাঁও নিকোলাও, মিরাগাইয়া ও সান্তু ইলদেফোনসো পারিশজুড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্র নদীতীরের রিবেইরা থেকে খাড়াভাবে উঠে গেছে আভেনিদা দুশ আলিয়াদুশ ও সাঁও বেন্তো স্টেশন ঘিরে বাইশায়। এখানে থাকলে ক্যাথিড্রাল, ক্লেরিগুশ টাওয়ার ও নদী হাঁটা দূরত্বে, তবে পাহাড়ি চড়াই, সিঁড়ি ও ব্যস্ত রাস্তা থাকবে। কেন্দ্রীয় এই পারিশগুলো শহরের পর্যটক আবাসন নিয়ন্ত্রণ এলাকাও, যেখানে নতুন নিবন্ধন সীমিত।

বাইশার উত্তর-পশ্চিমের সেদোফেইতায় ছোট রোমানেস্ক সেদোফেইতা গির্জা ও তুলনামূলক শান্ত রাস্তা আছে। কেন্দ্রের পূর্বের বনফিম মূলত আবাসিক। শহরের আধুনিকতর অংশ বোয়াভিশতা ব্যবসায়িক পর্যটক ও পরিবারের উপযুক্ত। দোরো আটলান্টিকে মেশার স্থান ফজ দু দোরো বেশি শান্ত ও আবাসিক, দীর্ঘ সময় থাকার ভালো পছন্দ। দোম লুইস প্রথম সেতুর ওপারের ভিলা নোভা দে গাইয়ায় পোর্ট ওয়াইনের ভান্ডার আছে এবং সেখান থেকে পোর্তুর দিকে ফিরে তাকালে সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়।

পুরোনো শহর ও প্রধান দর্শনীয় স্থান

শহরের প্রাচীনতম স্থাপনার একটি পোর্তু ক্যাথিড্রালের নির্মাণ দ্বাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয়ে ষোড়শ শতক পর্যন্ত ধাপে ধাপে চলে। কাছেই ছোট রোমানেস্ক সেদোফেইতা গির্জা, গথিক সেন্ট ফ্রান্সিস গির্জা এবং পুরোনো নগরপ্রাচীরের অবশেষ আছে। স্থপতি নিকোলাও নাসোনি 1732 থেকে 1763 সালের মধ্যে বারোক ক্লেরিগুশ গির্জা ও এর 75 মিটার উঁচু ঘণ্টাটাওয়ার নির্মাণ করেন, যা শহরের বহু স্থান থেকে দেখা যায়। সাঁও বেন্তো রেলস্টেশনে জর্জে কোলাসোর আঁকা প্রায় বিশ হাজার আজুলেজো টালিতে পর্তুগালের ইতিহাসের মুহূর্ত ও গ্রামীণ জীবনের দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

স্টক এক্সচেঞ্জ প্রাসাদ, সমৃদ্ধ অলংকরণে সাজানো সাঁও ফ্রান্সিসকো ও সান্তা ক্লারা গির্জা এবং পালাসিও দে ক্রিশতালের বাগানও উল্লেখযোগ্য। 1886 সালে চালু হওয়া দোম লুইস প্রথম সেতুর নকশা করেন গুস্তাভ আইফেলের সাবেক সহযোগী তেওফিল সেরিগ। সেতুর দুটি তলা: ওপর দিয়ে মেট্রোর D লাইন ও পথচারীরা চলে; নিচ দিয়ে রিবেইরা ও গাইয়ার নদীতীরের মধ্যে বাস, ট্যাক্সি, সাইকেল ও পথচারীরা যাতায়াত করে।

পোর্ট ওয়াইন, গাইয়া ও দোরো উপত্যকা

পোর্ট ওয়াইন অতিরিক্ত অ্যালকোহল যোগ করা ওয়াইন, যা সাধারণত মিষ্টি ও লাল। এটি সীমানা-নির্ধারিত দোরো অঞ্চলের আঙুর থেকে তৈরি; 1756 সালের 10 সেপ্টেম্বরের রাজসনদে এই অঞ্চলকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়। শত শত বছর ধরে ওয়াইন ভাটিতে এনে ভিলা নোভা দে গাইয়ার ভান্ডারে পরিপক্ব, বোতলজাত ও রপ্তানি করা হতো। স্থানীয়ভাবে কাভেশ নামে পরিচিত এসব ভান্ডারের কয়েকটিতে এখন গাইডসহ পরিদর্শন ও স্বাদ নেওয়ার ব্যবস্থা আছে। পর্তুগাল ও ইংল্যান্ডের 1703 সালের মেথুয়েন চুক্তি ওয়াইনকে এই অঞ্চলের অর্থনীতির কেন্দ্রে আনতে সাহায্য করে।

পোর্ট উৎপাদনের উপত্যকা প্রায় 70 কিলোমিটার উজানের বারকেইরুশ গ্রামের কাছে শুরু হয়ে পূর্বে প্রায় স্পেনের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত। দোরোর ওয়াইন উৎপাদন অঞ্চল 2001 সালে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষিত হয়। সিমা কোরগো উপঅঞ্চলের কেন্দ্রে পিনিয়াঁও নদীর ওপর প্রায় খাড়া ঢালে ছড়ানো ওয়াইন এস্টেট বা কিন্তা দিয়ে ঘেরা। সাঁও বেন্তো থেকে দোরোর মনোরম রেলপথ উপত্যকা বেয়ে পোসিনিয়ো পর্যন্ত যায়, তাই গাড়ি ছাড়াই ওয়াইন অঞ্চলে পৌঁছানো যায়।

সংক্ষেপে ইতিহাস

দোরোর মোহনায় বসতির ইতিহাস অন্তত খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতক পর্যন্ত বিস্তৃত। রোমান সাম্রাজ্যের সময় পোর্তুস কালে নামে পরিচিত শহরটি অলিসিপোনা, আজকের লিসবন, এবং ব্রাকারা আউগুস্তা, এখনকার ব্রাগার মধ্যকার পথের বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে ওঠে। 868 সালে অভিজাত ভিমারা পেরেশ পোর্তুকালের সামন্তভূমি পান এবং মিনিয়ো ও দোরো নদীর মধ্যে একটি কাউন্টি গড়েন, যা পরে পর্তুগাল কাউন্টি নামে পরিচিত হয়। সম্ভবত 1394 সালে পোর্তুতে জন্ম নেওয়া নাবিক রাজপুত্র হেনরি 1415 সালে সেউতা জয়ের জন্য এখানে জাহাজ ও সৈন্য জড়ো করেন; এই অভিযানে পর্তুগিজ আবিষ্কারযুগের সূচনা হয়।

অষ্টাদশ শতকে নাসোনির বারোক গির্জা ও পোর্ট বাণিজ্যের উত্থান ঘটে। ঊনবিংশ ও বিংশ শতকে যোগ হয় নব্যধ্রুপদী ও রোমান্টিসিজম ধারার স্থাপনা, যেমন স্টক এক্সচেঞ্জ প্রাসাদ, লিবেরদাদে চত্বরের ভবন ও আভেনিদা দুশ আলিয়াদুশ। 1895 সালে বৈদ্যুতিক ট্রাম চলতে শুরু করে, আইবেরীয় উপদ্বীপের প্রথম দিকের ব্যবস্থাগুলোর একটি। রেম কুলহাসের নকশা করা কনসার্ট হল কাসা দা মুজিকা 2005 সালে খোলে।

সৈকত ও দিনভর ভ্রমণ

পোর্তুর আটলান্টিক তীর শুরু হয় ফজ দু দোরোতে, যেখানে নদী সমুদ্রে মেশে, এবং উত্তরে শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় 8 কিলোমিটার দূরের মাতোজিনিয়োশ পর্যন্ত যায়। এটি লেসা নদীর মোহনায়; লেসা দা পালমেইরার লেসা বাতিঘর 46 মিটার উঁচু। নদীর দক্ষিণে ভিলা নোভা দে গাইয়ার প্রায় 17 কিলোমিটার সমুদ্রতীরে অনেক সৈকত আছে। সৈকতে প্রায়ই ভেতরের এলাকার চেয়ে বেশি বাতাস ও শীতলতা থাকে, তাই গ্রীষ্মেও বাড়তি একটি পোশাক নিন।

ভেতরের দিকে গিমারায়েশের ঐতিহাসিক কেন্দ্র 2001 সাল থেকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য। একে পর্তুগালের জন্মস্থান বলা হয়, কারণ প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী দেশের প্রথম রাজা আফোনসো হেনরিকস এখানে জন্মেছিলেন। পোর্তু বিমানবন্দর থেকে প্রায় 50 কিলোমিটার দূরের ব্রাগা পর্তুগালের প্রাচীনতম আর্চডায়োসিসের আসন; গির্জা ও বারোক প্রাসাদে সমৃদ্ধ। বিমানবন্দর থেকে দুই ঘণ্টার গাড়িযাত্রার মধ্যে চারটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল এবং স্পেনের সান্তিয়াগো দে কম্পোস্তেলা আছে। তাই পোর্তুতে ভাড়ার বাড়ি নিয়ে উত্তর পর্তুগালে দীর্ঘ ভ্রমণের ঘাঁটি করা যায়।

যাতায়াত ও চলাফেরা

ফ্রান্সিসকো সা কার্নেইরো বিমানবন্দর (OPO), সাধারণত পোর্তু বিমানবন্দর নামে পরিচিত, ক্লেরিগুশ টাওয়ার থেকে প্রায় 11 কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। মেট্রোর E লাইন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করে; ত্রিনদাদেতে অন্য লাইন বদলে কাম্পানিয়ার উচ্চগতির ট্রেনেও যাওয়া যায়। শহরের পূর্বের কাম্পানিয়া প্রধান রেলস্টেশন, যেখান থেকে দোরো ও মিনিয়ো বরাবর এবং মধ্য পর্তুগালের দিকে ট্রেন চলে। পুরোনো শহরের সাঁও বেন্তো শহরতলির ট্রেন ও দোরো লাইনের প্রান্তিক স্টেশন।

পোর্তু মেট্রো একটি হালকা রেল নেটওয়ার্ক, যা কেন্দ্রে ভূগর্ভে এবং শহরতলিতে মাটির ওপর চলে। এর একাধিক লাইন পোর্তু, গাইয়া, মাতোজিনিয়োশ, মাইয়া, গনদোমার, ভিলা দু কন্দে ও পোভোয়া দে ভারজিমে পৌঁছায়। গিনদাইশ ফুনিকুলার রিবেইরা থেকে বাতালিয়ার দিকে ওঠে, আর কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী লাইনে পুরোনো ট্রাম চলে। শহরে গাড়ির দরকার নেই; দোরো উপত্যকা বা মিনিয়ো ঘোরার জন্য রাখাই ভালো।

আবহাওয়া ও কখন যাবেন

পোর্তুর জলবায়ু উত্তর আইবেরীয় উপদ্বীপের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ উষ্ণ-গ্রীষ্মের ভূমধ্যসাগরীয়, যেখানে দক্ষিণ ইউরোপের শুষ্ক উষ্ণ গ্রীষ্ম ও উত্তর আটলান্টিকের বৃষ্টিবহুল আবহাওয়া মিলেছে। গ্রীষ্ম সাধারণত উষ্ণ ও রৌদ্রোজ্জ্বল; তাপমাত্রা প্রায় 16 থেকে 26°C এবং তাপপ্রবাহে 30°C পর্যন্ত। তবে মাঝেমধ্যে অল্প সময়ের বৃষ্টি হতে পারে, যখন বিকেলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় 20°C। উপকূলে প্রায়ই শহরের চেয়ে বেশি বাতাস ও শীতলতা থাকে।

বার্ষিক বৃষ্টিপাত বেশি এবং প্রধানত শীতে হয়; পোর্তু ইউরোপের বেশি বৃষ্টিবহুল বড় শহরগুলোর একটি। তবে সবচেয়ে বৃষ্টির মাসেও দীর্ঘ রৌদ্রোজ্জ্বল বিরতি সাধারণ ঘটনা। শীত মৃদু ও স্যাঁতসেঁতে; সকালে প্রায় 5 বা 6°C থেকে বিকেলে 14 বা 15°C পর্যন্ত, আর তুহিন জমা বিরল। বসন্তের শেষ, গ্রীষ্ম ও শরতের শুরু হাঁটা, নদীভ্রমণ ও দোরো উপত্যকার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সময়। শীতলতর মাসে ভালো গরম রাখার ব্যবস্থাসহ বাড়ি আরামে বড় পার্থক্য আনে।

জেনে রাখা ভালো

পোর্তুতে থাকার সেরা এলাকা কোনটি?

প্রথম সফরে রিবেইরা, বাইশা ও সাঁও বেন্তোর মধ্যের ঐতিহাসিক কেন্দ্রে থাকলে প্রধান দর্শনীয় স্থান হেঁটে দেখা যায়, তবে চড়াই আছে। সেদোফেইতা ও বনফিম তুলনামূলক শান্ত আবাসিক এলাকা; বোয়াভিশতা আধুনিক ও ভালো যোগাযোগসম্পন্ন; সমুদ্রের কাছে পরিবারের জন্য ফজ, আর পোর্ট ওয়াইনের ভান্ডারের পাশে থাকার জন্য ভিলা নোভা দে গাইয়া উপযুক্ত।

পোর্তু ভ্রমণের সেরা সময় কখন?

বসন্তের শেষ, গ্রীষ্ম ও শরতের শুরু সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ঋতু। গ্রীষ্মে প্রায় 16 থেকে 26°C থাকে, মাঝে মাঝে তাপপ্রবাহে প্রায় 30°C হয়। শীত মৃদু কিন্তু বৃষ্টিবহুল, বিকেলে 14 বা 15°C থাকে। নভেম্বর থেকে মার্চে এলে রেইনকোট নিন।

পোর্তু বিমানবন্দর শহরের কেন্দ্র থেকে কত দূরে?

ফ্রান্সিসকো সা কার্নেইরো বিমানবন্দর (OPO) শহরের কেন্দ্রের ক্লেরিগুশ টাওয়ার থেকে প্রায় 11 কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। বিমানবন্দর থেকে মেট্রোর E লাইন পোর্তুতে আসে; অন্য লাইন ও কাম্পানিয়া স্টেশনের জন্য ত্রিনদাদেতে বদল করতে হয়। ট্যাক্সিও আছে।

পোর্ট ওয়াইনের ভান্ডার কি ঘুরে দেখা যায়?

হ্যাঁ। কাভেশ নামে পরিচিত পোর্ট ওয়াইনের ভান্ডারগুলো রিবেইরা থেকে দোম লুইস প্রথম সেতুর ওপারে ভিলা নোভা দে গাইয়ার নদীতীরে সারি দিয়ে আছে; কয়েকটিতে গাইডসহ ঘোরা ও স্বাদ নেওয়া যায়। আঙুরখেত দেখতে দোরো রেলপথে বা সড়কপথে উপত্যকা ধরে পিনিয়াঁওয়ের দিকে যান।

পোর্তুতে কত দিন লাগে?

দুই-তিন দিনে রিবেইরা, ক্যাথিড্রাল, ক্লেরিগুশ টাওয়ার, সাঁও বেন্তো স্টেশন, দোম লুইস প্রথম সেতু, গাইয়ার ভান্ডার এবং ফজ পর্যন্ত হাঁটা হয়। চার-পাঁচ দিন থাকলে দোরো উপত্যকা, গিমারায়েশ বা ব্রাগা যোগ করা যায়।

পোর্তুতে কি গাড়ি লাগবে?

না। মেট্রো, বাস, গিনদাইশ ফুনিকুলার ও হেঁটে শহর ঘোরা যায়; দোরো উপত্যকা এবং ব্রাগা ও গিমারায়েশের দিকে ট্রেন চলে। কেন্দ্রে চড়াই ও সীমিত পার্কিং, তাই গাড়ি কেবল গ্রামাঞ্চল ঘোরার জন্য সার্থক।

পোর্তুর ছুটির আবাসনে কি নিবন্ধন নম্বর লাগে?

হ্যাঁ। পর্তুগালে ছুটির আবাসন alojamento local হিসেবে চলে এবং চালু করার আগে জাতীয় নিবন্ধন RNAL-এ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হয়। বুকিং প্ল্যাটফর্মগুলোকে অবশ্যই নিবন্ধন নম্বর চাইতে ও প্রদর্শন করতে হয়। পোর্তুর কেন্দ্রীয় সান্তু ইলদেফোনসো, সে, মিরাগাইয়া, সাঁও নিকোলাও ও ভিতোরিয়া পারিশ নিয়ন্ত্রণ এলাকা, যেখানে নতুন নিবন্ধন সীমিত। বর্তমান নিয়ম দেখে নিন।

পোর্তু কীসের জন্য পরিচিত?

পোর্তু পরিচিত পোর্ট ওয়াইন ও ভিলা নোভা দে গাইয়ার ভান্ডার, দোরোর তীরে ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত ঐতিহাসিক কেন্দ্র, দোতলা দোম লুইস প্রথম সেতু, আজুলেজো টালি-সজ্জিত গির্জা ও সাঁও বেন্তো স্টেশন, ক্লেরিগুশ টাওয়ার এবং দোরো উপত্যকার আঙুরখেতের প্রবেশদ্বার হিসেবে।

এআই-এর সহায়তায় গবেষণা ও লেখা হয়েছে, তারপর নিচের উৎসগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। সর্বশেষ যাচাই: ।

উৎস (20)