Oslo

অসলো নরওয়ের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর; পৌর এলাকায় প্রায় 7 লাখ 24 হাজার এবং নগরাঞ্চলে প্রায় 11 লাখ মানুষের বাস। শহরটি অসলোফিয়র্ডের উত্তর প্রান্তে ধনুকের মতো বাঁকা এক ভূখণ্ডে, যার পেছনে উঠে গেছে মারকা নামে পরিচিত বনঢাকা পাহাড়, আর এর আয়তনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই সংরক্ষিত বন, পাহাড় ও হ্রদ।

ভাইকিং যুগের শেষে প্রতিষ্ঠিত শহরটি 1624 সালের এক অগ্নিকাণ্ডের পর ক্রিস্তিয়ানিয়া (Christiania) নামে নতুন করে গড়ে ওঠে এবং 1925 সালে পুরোনো নাম ফিরে পায়। পর্যটকেরা আসেন নবরূপে জেগে ওঠা সমুদ্রতীরের টানে, যেখানে বিয়রভিকায় দাঁড়িয়ে আছে অপেরা হাউস ও মুঙ্খ জাদুঘর (MUNCH); আরও আছে ফ্রগনার পার্কে ভিগেলানের ভাস্কর্য, বিগদয় উপদ্বীপের জাদুঘর, ফিয়র্ডের দ্বীপগুলোতে যাওয়ার ফেরি আর হলমেনকোলেনের স্কি জাম্প। স্বল্প সময়ের নগরভ্রমণে কেন্দ্র বা গ্রুনারলোক্কার অ্যাপার্টমেন্ট উপযুক্ত, আর দীর্ঘ সময় থাকার জন্য ফ্রগনার বা মায়োরস্টুয়েনের পরিবার-উপযোগী ফ্ল্যাটে বেশি জায়গা মেলে। গ্রীষ্মের দিন দীর্ঘ, মধ্যগ্রীষ্মে দিনের আলো থাকে 18 ঘণ্টার বেশি।

অসলোতে কোথায় থাকবেন

শহরের কেন্দ্র সেন্ট্রুম গড়ে উঠেছে কার্ল ইয়োহানস গাটে ঘিরে — রাজপ্রাসাদ থেকে কেন্দ্রীয় স্টেশনের দিকে চলে যাওয়া প্রধান পথচারী সড়ক, যার পথে পড়ে সংসদ ভবন ও জাতীয় নাট্যশালা। প্রথমবারের ছোট সফরের জন্য এটি উপযুক্ত, বন্দর ও বেশির ভাগ জাদুঘর হাঁটা দূরত্বে। সমুদ্রতীরে সাবেক এক জাহাজঘাটার জায়গায় গড়ে ওঠা আকার ব্রিগে ও চুভহলমেনে পানির ধারে আধুনিক ফ্ল্যাট, আর কেন্দ্রের পূর্বে বিয়রভিকা ও সোরেঙ্গা অপেরা হাউস ও মুঙ্খ জাদুঘর ঘিরে বন্দরের ধারের নতুন এলাকা।

আকারসেলভা নদীর পাশের গ্রুনারলোক্কা ঐতিহ্যগতভাবে শ্রমজীবী মানুষের এলাকা, বিংশ শতকের শেষভাগ থেকে যার অভিজাতায়ন ঘটেছে; ক্যাফে ও রেস্তোরাঁর জন্য পরিচিত এই এলাকা তরুণ ভ্রমণকারীদের টানে। ফ্রগনার পার্কের কাছে ওয়েস্ট এন্ডের ফ্রগনার ও মায়োরস্টুয়েন শান্ত আবাসিক এলাকা, কাছেই মেট্রো স্টেশন, পরিবার ও দীর্ঘ সময় থাকার জন্য ভালো। কেন্দ্রীয় স্টেশনের ঠিক পূর্বের গ্রনলান্ড প্রাণবন্ত এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য পরিচিত।

সমুদ্রতীর ও প্রধান দর্শনীয় স্থান

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে অসলোর বন্দরের আমূল রূপান্তর ঘটেছে। নরওয়েজীয় জাতীয় অপেরা ও ব্যালের আবাস অসলো অপেরা হাউস 2008 সালে বিয়রভিকায় চালু হয়, আর এর ছাদ ঢালু হয়ে মাটি পর্যন্ত নেমে এসেছে, ফলে যে কেউ হেঁটে ওপরে উঠে শহর ও ফিয়র্ডের দৃশ্য দেখতে পারেন। পাশেই এডভার্ড মুঙ্খের জীবন ও কাজের প্রতি উৎসর্গিত মুঙ্খ জাদুঘর 2021 সালে নতুন ভবনে উঠে আসে। বন্দরের ওপারে সমুদ্রতীর পাহারা দেয় আকেরসহুস দুর্গ — মধ্যযুগীয় এই দুর্গের নির্মাণ রাজা পঞ্চম হাকোনের আমলে ত্রয়োদশ শতকের নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে শুরু হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়; এটি রাজকীয় আবাস, সামরিক ঘাঁটি ও কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

1824 থেকে 1848 সালের মধ্যে নির্মিত রাজপ্রাসাদ দাঁড়িয়ে আছে কার্ল ইয়োহানস গাটের মাথায়। শহরের সবচেয়ে বড় পার্ক এবং সব সময় সবার জন্য খোলা ফ্রগনার পার্কে গুস্তাভ ভিগেলানের ভাস্কর্য-সমাবেশ 1924 সাল থেকে রূপ পেয়ে চলেছে। প্রতিবছর অসলোতে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়, আর নোবেল শান্তি কেন্দ্র এর কাহিনি তুলে ধরে।

বিগদয়, দ্বীপপুঞ্জ ও বন

শহরের পশ্চিম দিকের বিগদয় উপদ্বীপ একটি সবুজ বিনোদন এলাকা এবং নরওয়ের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন আবাসিক এলাকাগুলোর একটি। এখানে কয়েকটি জাদুঘরও আছে, যেমন টুর হেয়ার্ডালের অভিযানগুলোর প্রতি উৎসর্গিত কন-টিকি জাদুঘর, শহর ও গ্রামাঞ্চল থেকে সরিয়ে আনা ভবনের উন্মুক্ত সংগ্রহশালা নরওয়েজীয় সাংস্কৃতিক ইতিহাস জাদুঘর, এবং নরওয়েজীয় সামুদ্রিক জাদুঘর। কেন্দ্র থেকে সেখানে 30 নম্বর বাস যায়, আর এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যে আকার ব্রিগে থেকে একটি গণফেরিও পার হয়।

শহরের সীমানার ভেতরে আছে চল্লিশটি দ্বীপ, আর এগুলোর কয়েকটিকে ফেরি কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করে। 1147 সালে চালু হওয়া একটি সিস্টারসিয়ান মঠের ধ্বংসাবশেষসহ ছোট দ্বীপ হুভেদয়া গ্রীষ্মে শহর ছেড়ে কিছুক্ষণ কাটানোর জনপ্রিয় জায়গা। উত্তরে মারকা বনাঞ্চলের সবচেয়ে বড় অংশ নুরমারকা জুড়ে রয়েছে গ্রীষ্মে হাইকিং ও সাইকেল চালানোর এবং শীতে স্কি করার পথ, আর শহরের ঠিক উত্তরের সোংসভান হ্রদ এর প্রিয় সূচনাস্থল।

সংক্ষেপে ইতিহাস

অসলো প্রায় 1040 সালে আনস্লো নামে একটি শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং 1048 সালে হ্যারাল্ড হার্ড্রাডা একে বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। 1070 সালে এটি বিশপের আসন হয় এবং প্রায় 1300 সালে পঞ্চম হাকোনের অধীনে রাজধানী হয়, কিন্তু পরে ডেনমার্কের সঙ্গে দীর্ঘ ইউনিয়নের ফলে এর গুরুত্ব কমে যায়। 1624 সালে অগ্নিকাণ্ডে শহরটি ধ্বংস হওয়ার পর রাজা চতুর্থ ক্রিশ্চিয়ান আকেরসহুস দুর্গের আরও কাছে একটি নতুন শহর গড়ান এবং নিজের সম্মানে এর নাম রাখেন ক্রিস্তিয়ানিয়া।

1814 থেকে 1905 সাল পর্যন্ত সুইডেন ও নরওয়ের ইউনিয়নের সময় শহরটি রাজধানী ছিল, আর এর অনেক সরকারি ভবন সেই শতকের, যেমন রাজপ্রাসাদ, 1861 থেকে 1866 সালে নির্মিত স্টরটিং সংসদ ভবন এবং 1899 সালের জাতীয় নাট্যশালা। পরে বানান বদলে Kristiania হয়, আর 1925 সালের 1 জানুয়ারি মূল নাম অসলো ফিরিয়ে আনা হয়। 1948 সালে অসলো শহরটিকে ঘিরে থাকা পৌরসভা আকারের সঙ্গে একীভূত হয়, আর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শহরটি দ্রুত বেড়েছে এবং আরও আন্তর্জাতিক হয়ে উঠেছে।

দিনভর ভ্রমণ ও বেড়ানো

শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় 500 মিটার উঁচু পাহাড় হলমেনকোলেন ঊনবিংশ শতকের শেষভাগ থেকে স্কি এলাকা, আর এর বিখ্যাত জাম্পে 1892 সাল থেকে প্রতিযোগিতা হয়ে আসছে; মেট্রোর হলমেনকোলেন লাইন একেবারে সেখান পর্যন্ত যায়। ভেতরের ফিয়র্ডের প্রায় মাঝপথে সরু ড্রোবাক প্রণালীর ধারে ড্রোবাক অস্কারসবর্গ দুর্গের কাছে, যেখানে 1940 সালের এপ্রিলে নরওয়ে আক্রমণের শুরুতে জার্মান ক্রুজার ব্লুখার ডুবিয়ে দেওয়া হয়।

ইস্টফোল্ড কাউন্টির বন্দরনগরী ফ্রেদরিকস্তাদ গ্লোমা নদীর পূর্ব তীরের দুর্গঘেরা পুরোনো শহরের জন্য পরিচিত, যা আশ্চর্যরকম ভালোভাবে সংরক্ষিত। আরও কাছে, অসলোফিয়র্ড দক্ষিণে প্রায় 120 কিলোমিটার বিস্তৃত, আর নৌকাভ্রমণ, দ্বীপের ফেরি ও তীর ধরে হাঁটা এটি দেখার সহজ উপায়। শীতেও মেট্রো হলমেনকোলেন ও বনের প্রান্ত পর্যন্ত যায়, তাই ভাড়া নেওয়া অ্যাপার্টমেন্ট যেকোনো মৌসুমে ভালো ঘাঁটি।

যাতায়াত ও চলাফেরা

শহর থেকে প্রায় 35 কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে গার্ডারমোয়েনের অসলো বিমানবন্দর (OSL) প্রধান প্রবেশদ্বার। ফ্লাইটোগে এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস ট্রেন প্রায় 20 মিনিটে অসলো কেন্দ্রীয় স্টেশনে পৌঁছায়, আর বিমানবন্দরের কোচ শহর ও অন্যান্য শহরে যায়। প্রায় 119 কিলোমিটার দক্ষিণের সান্দেফিয়র্ড টর্প বিমানবন্দর মূলত অবকাশ ও স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইনগুলো ব্যবহার করে।

গণপরিবহন ব্যবস্থা বিস্তৃত: পাঁচ লাইনের অসলো মেট্রো, ছয় লাইনের ট্রাম নেটওয়ার্ক, আটটি কমিউটার রেললাইন, বাস ও ফেরি, আর ফেরিবহরের বেশির ভাগই বিদ্যুৎচালিত করা হয়েছে। মেট্রো উঠে যায় হলমেনকোলেন ও বনের প্রান্ত পর্যন্ত, ট্রাম চলে ভেতরের এলাকাগুলোতে, আর নৌকা দ্বীপগুলোকে এবং মৌসুমে বিগদয়কে যুক্ত করে। কেন্দ্র ছোট ও ঘন, আর শহরে সাইকেল লেনের বিস্তৃত জাল আছে। শহরে থাকার জন্য গাড়ির প্রয়োজন নেই; এটি মূলত ফিয়র্ড ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চল ঘুরে দেখার জন্য কাজে লাগে।

আবহাওয়া, দিনের আলো ও কখন যাবেন

অসলোর জলবায়ু আর্দ্র মহাদেশীয় — গ্রীষ্মে এটি নরওয়ের সবচেয়ে উষ্ণ জায়গাগুলোর একটি, আর শীত বেশ ঠান্ডা। উত্তরের অক্ষাংশের কারণে দিনের আলোর দৈর্ঘ্য বিপুলভাবে ওঠানামা করে: মধ্যগ্রীষ্মে 18 ঘণ্টার বেশি, যখন রাতেও কখনো পুরোপুরি অন্ধকার হয় না, আর মধ্যশীতে প্রায় ছয় ঘণ্টা। শীত ও বসন্ত সবচেয়ে শুষ্ক ঋতু, আর গ্রীষ্ম ও শরৎ সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল।

জুন থেকে আগস্ট সবচেয়ে জনপ্রিয় সময়, সমুদ্রতীর, দ্বীপ ও বনের পথের জন্য দীর্ঘ সন্ধ্যা থাকে; রেকর্ড মাস 2018 সালের জুলাইয়ে দিনের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল 29 °C, তবে বেশির ভাগ গ্রীষ্ম এর চেয়ে মৃদু। জানুয়ারিতে প্রতি চার দিনের প্রায় তিন দিন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকে, আর তুষার নুরমারকা ও হলমেনকোলেনকে স্কির দেশে পরিণত করে। বসন্ত ও শরৎ তুলনামূলক নিরিবিলি ও সতেজ, জাদুঘর ও শহরে হাঁটার জন্য ভালো। যে ঋতুই হোক, কয়েক স্তরের পোশাক ও রেইন জ্যাকেট নিন, আর শীতে ছোট দিনের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করুন।

জেনে রাখা ভালো

অসলোতে থাকার সেরা এলাকা কোনটি?

প্রথম সফরে কার্ল ইয়োহানস গাটের আশপাশের কেন্দ্র এবং বন্দরের এলাকা আকার ব্রিগে, চুভহলমেন ও বিয়রভিকায় থাকলে প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলো হাঁটা দূরত্বে থাকে। ক্যাফে ভালোবাসেন এমন তরুণ ভ্রমণকারীদের জন্য গ্রুনারলোক্কা উপযুক্ত, আর ফ্রগনার ও মায়োরস্টুয়েন শান্ত আবাসিক এলাকা, পরিবারের জন্য ভালো।

অসলো ভ্রমণের সেরা সময় কখন?

জুন থেকে আগস্ট সবচেয়ে উষ্ণ আবহাওয়া ও খুব দীর্ঘ দিন নিয়ে আসে, মধ্যগ্রীষ্মের আশপাশে দিনের আলো থাকে 18 ঘণ্টার বেশি। মে ও সেপ্টেম্বর তুলনামূলক নিরিবিলি ও সতেজ। শীত ঠান্ডা, দিন ছোট, তবে এটিই নুরমারকা ও হলমেনকোলেনে স্কি করার মৌসুম।

অসলো বিমানবন্দর শহরের কেন্দ্র থেকে কত দূরে?

গার্ডারমোয়েনের অসলো বিমানবন্দর (OSL) শহর থেকে প্রায় 35 কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ফ্লাইটোগে এক্সপ্রেস ট্রেন প্রায় 20 মিনিটে অসলো কেন্দ্রীয় স্টেশনে পৌঁছায়, আর বিমানবন্দরের কোচও শহরে আসে।

অসলোতে কত দিন লাগে?

দুই-তিন দিনে সমুদ্রতীর, অপেরা হাউস ও মুঙ্খ জাদুঘর, আকেরসহুস দুর্গ, ফ্রগনার পার্ক এবং বিগদয়ের জাদুঘরগুলো দেখা হয়ে যায়। চার-পাঁচ দিন থাকলে যোগ করতে পারেন দ্বীপের ফেরি, নুরমারকায় হাইকিং, হলমেনকোলেন এবং ফিয়র্ড ধরে ড্রোবাক ভ্রমণ।

অসলোতে কি গাড়ি লাগবে?

না। মেট্রো, ট্রাম, বাস, কমিউটার ট্রেন ও ফেরি শহর, দ্বীপ ও বনের প্রান্ত জুড়ে চলে, আর কেন্দ্র এতটাই ছোট যে হেঁটে ঘোরা যায়। গাড়ি সার্থক কেবল অসলোফিয়র্ড ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চল ঘোরার জন্য।

অসলো কি পরিবারের জন্য ভালো?

হ্যাঁ। শিশুরা উপভোগ করে অপেরা হাউসের ছাদে হাঁটা, বিগদয়ের উন্মুক্ত জাদুঘর ও কন-টিকি, ফ্রগনার পার্ক, দ্বীপের ফেরি আর বনের হ্রদ। ফ্রগনার বা মায়োরস্টুয়েনের মতো আবাসিক এলাকার ফ্ল্যাটে মেলে জায়গা ও রান্নাঘর, যা খরচ আর দৈনন্দিন রুটিন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

অসলোতে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার কোনো নিয়ম আছে কি?

হ্যাঁ। নরওয়ের মালিকানা-অংশ আইন (eierseksjonsloven) অনুযায়ী, অংশভিত্তিক মালিকানার ভবনে একটি পুরো ফ্ল্যাট স্বল্পমেয়াদে — অর্থাৎ একটানা সর্বোচ্চ 30 দিন পর্যন্ত — বছরে সর্বোচ্চ 90 দিন ভাড়া দেওয়া যায়; ভবনের উপবিধি এই সীমা 60 থেকে 120 দিনের মধ্যে নির্ধারণ করতে পারে। আবাসন সমবায়গুলোর নিজস্ব নিয়ম আছে। বুক করা বা ভাড়া দেওয়ার আগে বর্তমান নিয়ম দেখে নিন।

অসলো কীসের জন্য বিখ্যাত?

অসলো বিখ্যাত তার ফিয়র্ডঘেরা অবস্থান, হেঁটে ওঠা যায় এমন ছাদসহ অপেরা হাউস, এডভার্ড মুঙ্খের শিল্পকর্ম, ফ্রগনার পার্কে ভিগেলানের ভাস্কর্য, বিগদয়ের জাদুঘর, হলমেনকোলেনের স্কি জাম্প এবং শহরকে ঘিরে থাকা বনের জন্য। প্রতিবছর এখানে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও দেওয়া হয়।

এআই-এর সহায়তায় গবেষণা ও লেখা হয়েছে, তারপর নিচের উৎসগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। সর্বশেষ যাচাই: ।

উৎস (15)