Kralendijk

ক্রালেনডাইক দক্ষিণ ক্যারিবিয়ানের শুষ্ক, বাতাসে ঝাপটানো দ্বীপ বোনেয়ারের রাজধানী ও বন্দর, আর এই গাইডে পুরো দ্বীপটিই রয়েছে। বোনেয়ার ভেনেজুয়েলার উপকূল থেকে প্রায় 80 কিলোমিটার দূরে, কুরাসাওয়ের পূর্বে অবস্থিত; দ্বীপটি প্রায় 39 কিলোমিটার লম্বা আর মাত্র 5 থেকে 8 কিলোমিটার চওড়া। 2010 সাল থেকে এটি নেদারল্যান্ডসের একটি বিশেষ পৌরসভা, আর এখানে মার্কিন ডলার চলে।

বোনেয়ার সবার আগে সমুদ্রের গন্তব্য। ঢেউ-বাতাসের আড়ালে থাকা পশ্চিম উপকূল ধরে প্রবালপ্রাচীর তীরের খুব কাছ দিয়ে চলে গেছে, আর পুরো উপকূলরেখা বোনেয়ার ন্যাশনাল মেরিন পার্ক হিসেবে সংরক্ষিত, তাই ডুবুরি ও স্নরকেলাররা চিহ্নিত কয়েক ডজন জায়গা থেকে হেঁটেই পানিতে নামতে পারেন। ওই উপকূলেই ক্রালেনডাইক, যার সমুদ্রতীরে দোকান ও রেস্তোরাঁর ছোট একটি সারি, আর মুখোমুখি জনমানবহীন ছোট দ্বীপ ক্লেইন বোনেয়ার। শহরের বাইরে সমতল দক্ষিণে লবণক্ষেত্র ও ফ্লেমিঙ্গোর জলাভূমি, পূর্বে উইন্ডসার্ফিংয়ের লেগুন লাক বে, আর উত্তরে ওয়াশিংটন স্লাগবাই জাতীয় উদ্যানের ক্যাকটাসে ঢাকা পাহাড়। অ্যাপার্টমেন্ট, পৃথক মালিকানার ফ্ল্যাট ও ভিলাগুলো ডুবুরি, পরিবার এবং নিরিবিলি, খোলা প্রকৃতির দ্বীপ যাঁদের ভালো লাগে তাঁদের সবার জন্য উপযুক্ত।

বোনেয়ারের কোথায় থাকবেন

সবচেয়ে সুবিধাজনক ঘাঁটি ক্রালেনডাইক: ছোট্ট সমুদ্রতীরজুড়ে রেস্তোরাঁ, দোকান আর ডাইভিং প্রতিষ্ঠান, ক্লেইন বোনেয়ারে যাওয়ার ওয়াটার ট্যাক্সি, আর বিমানবন্দর মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। শহরের ভেতরে ও কাছের অ্যাপার্টমেন্ট ও পৃথক মালিকানার ফ্ল্যাট দম্পতি এবং হেঁটে রাতের খাবার খেতে যেতে চান এমন ভ্রমণকারীদের জন্য ভালো।

শহর থেকে উত্তরে চলে যাওয়া উপকূলীয় সড়কের ধারে সারি সারি অ্যাপার্টমেন্ট, ছোট রিসোর্ট ও ভাড়ার বাড়ি, যার অনেকগুলো থেকে সরাসরি তীরের ডাইভ সাইটে যাওয়া যায়; তাই যে ডুবুরিরা থাকার জায়গা থেকেই সোজা পানিতে নামতে চান, তাঁদের জন্য এটিই স্বাভাবিক পছন্দ। বিমানবন্দরের দক্ষিণে, লবণক্ষেত্রের দিকে উপকূল ধরে আবাসিক এলাকাগুলো আরও নিরিবিলি, সেখানে পরিবার ও দীর্ঘ সময় থাকার উপযোগী ভিলা ও বাড়ি আছে। পূর্ব দিকে লাক বে ও সোরোবনের আশপাশের এলাকা একটানা বয়ে চলা বাতাস আর অগভীর পানির টানে উইন্ডসার্ফার ও কাইটসার্ফারদের আকর্ষণ করে। উত্তরের এক উপত্যকায় রিনকন একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম, যেখানে কয়েকটি গেস্টহাউস আছে সেই ভ্রমণকারীদের জন্য, যাঁরা জাতীয় উদ্যানের কাছে স্থানীয়, ধীরলয়ের জীবন চান।

ডাইভিং, স্নরকেলিং ও ক্লেইন বোনেয়ার

বোনেয়ারের তীরঘেঁষা প্রবালপ্রাচীর বাতাসের আড়ালের উপকূলের এত কাছে যে বেশির ভাগ ডাইভ শুরু হয় হেঁটে পানিতে নেমে। 1979 সালে পুরো উপকূলরেখাকে সামুদ্রিক অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়, আর আজ দ্বীপের জাতীয় উদ্যান ফাউন্ডেশন STINAPA পরিচালিত বোনেয়ার ন্যাশনাল মেরিন পার্ক বোনেয়ার ও ক্লেইন বোনেয়ারের চারপাশের প্রাচীর রক্ষা করে, তীর ধরে নামধারী কয়েক ডজন ডাইভ সাইটসহ। এখানে 350টিরও বেশি প্রজাতির মাছ এবং প্রায় 60 প্রজাতির প্রবাল নথিভুক্ত হয়েছে।

ক্রালেনডাইক থেকে প্রায় 800 মিটার দূরের জনমানবহীন, সমতল ছোট দ্বীপ ক্লেইন বোনেয়ার হোটেল নির্মাণ ঠেকাতে 1999 সালে কিনে নিয়ে সংরক্ষিত করা হয়। এর চারদিক ঘিরে সাদা সৈকত ও প্রবালপ্রাচীর, আর সেখানে যাওয়া যায় ওয়াটার ট্যাক্সি বা ডাইভিং নৌকায়; এর তীরে সামুদ্রিক কচ্ছপ ডিম পাড়ে। প্রাচীরগুলো সংরক্ষিত বলে দর্শনার্থীদের প্রবাল ছোঁয়া উচিত নয়, প্রাচীরের জন্য নিরাপদ অভ্যাস মেনে চলা উচিত — যেমন পানিতে ভারসাম্য ঠিক রাখা ও মাছকে খাবার না দেওয়া — এবং নোঙর বাঁধা ও মাছ ধরা নিয়ে উদ্যানের নিয়ম মানা উচিত।

স্থলভাগের প্রকৃতি: উদ্যান, লবণ ও ফ্লেমিঙ্গো

সাবেক নেদারল্যান্ডস এন্টিলসের প্রথম প্রাকৃতিক উদ্যান হিসেবে 1969 সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন স্লাগবাই জাতীয় উদ্যান দ্বীপের এবড়োখেবড়ো উত্তর-পশ্চিমাংশ জুড়ে বিস্তৃত। এর ভূদৃশ্যে আছে ক্যাকটাস, শুষ্ক বন, বোকা নামের খাঁড়ি আর লবণাক্ত লেগুন, যার মধ্যে স্লাগবাই ও গোটোমের হ্রদ আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃত। পায়ে চলার পথ ও কাঁচা রাস্তা পৌঁছে দেয় দৃশ্য দেখার জায়গা, পাথুরে সৈকত আর প্রায় 240 মিটার উঁচু দ্বীপের সর্বোচ্চ বিন্দু ব্রান্দারিস পাহাড়ে। বিপন্ন হলুদ-কাঁধ অ্যামাজন তোতা উত্তরাঞ্চলে বাস করে।

সমতল দক্ষিণে প্রাধান্য লবণক্ষেত্রের, যা দ্বীপের প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে এবং আজও সেখানে লবণ উৎপাদন হয়। এই এলাকার অংশ পেকেলমের ক্যারিবীয় ফ্লেমিঙ্গোর মাত্র চারটি প্রজননক্ষেত্রের একটি; বাসা বাঁধার অভয়ারণ্যে মানুষের প্রবেশ নিষেধ, যদিও কাছের লেগুনগুলোতে প্রায়ই ফ্লেমিঙ্গোদের খাবার খুঁজতে দেখা যায়। পূর্বে লাক বে একটি অগভীর, ম্যানগ্রোভঘেরা লেগুন, যার মুখজুড়ে থাকা প্রবালপ্রাচীর একে সুরক্ষা দেয় এবং উইন্ডসার্ফিংয়ের জন্য পানি শান্ত রাখে।

ইতিহাস ও সংস্কৃতি

প্রথম বাসিন্দা ছিল আরাওয়াক ভাষাভাষী কাকেতিও জনগোষ্ঠী। 1499 সালে আলোনসো দে ওহেদার অভিযানের পর স্পেন দ্বীপটির ওপর দাবি জানায়, এর অনেক মানুষকে অন্যত্র নির্বাসিত করে, আর পরে গবাদিপশু, ছাগল ও গাধা নিয়ে আসে, যাদের বংশধরেরা আজও দ্বীপে ঘুরে বেড়ায়। স্প্যানিশ আমলে দ্বীপের ভেতরের দিকে প্রতিষ্ঠিত রিনকনকে প্রায়ই দ্বীপের সবচেয়ে পুরোনো জনবসতি বলা হয়। ওলন্দাজরা আসে সপ্তদশ শতকে; বন্দর পাহারা দিতে 1639 সালে প্রথম নির্মিত এবং 1816 সালে পুনর্নির্মিত ফোর্ট ওরানিয়ে আজও ক্রালেনডাইকে দাঁড়িয়ে আছে, আর শহরের নামটি এসেছে ওলন্দাজ ভাষায় "প্রবালের বাঁধ" অর্থের শব্দ থেকে।

ওলন্দাজ শাসনে বোনেয়ার চালানো হতো একটি সরকারি আবাদ হিসেবে, আর দাসত্বে বন্দী আফ্রিকানরা লবণক্ষেত্রে কাজ করতেন। শ্রমিকদের জন্য 1850 সালের দিকে তৈরি পাথরের ছোট কুঁড়েঘরগুলো আজও লবণক্ষেত্রের পাশে দাঁড়িয়ে আছে, সঙ্গে রং করা উঁচু স্তম্ভ, যা একসময় লবণ বোঝাই করতে আসা জাহাজগুলোকে পথ দেখাত; দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয় 1863 সালে। প্রধান ভাষা পাপিয়ামেন্তু, পাশাপাশি ওলন্দাজ ও ইংরেজিও ব্যাপকভাবে প্রচলিত। প্রতি বছর 30 এপ্রিল দ্বীপের সবচেয়ে বড় উৎসব দিয়া দি রিনকনে রিনকন তার ঐতিহ্য উদ্‌যাপন করে।

যাতায়াত ও চলাফেরা

ক্রালেনডাইকের ঠিক দক্ষিণে ফ্লেমিঙ্গো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (BON) নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র এবং কুরাসাও ও আরুবার মতো কাছের দ্বীপগুলো থেকে সরাসরি ফ্লাইট আসে। বেশির ভাগ ভাড়ার বাসস্থান বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে প্রায় 5 থেকে 20 মিনিটের মধ্যে।

গণপরিবহন খুব কম, তাই বেশির ভাগ পর্যটক গাড়ি ভাড়া নেন, অথবা তীর থেকে ডাইভ করার পরিকল্পনা থাকলে এমন পিকআপ ট্রাক, যাতে ট্যাংক ও সরঞ্জাম বহন করা যায়; ছোট দূরত্বের জন্য ট্যাক্সি পাওয়া যায়। গাড়ি চলে রাস্তার ডান দিক দিয়ে, রাস্তা সাধারণত ফাঁকা, আর বুনো গাধা ও ছাগল মাঝে মাঝে রাস্তায় উঠে আসে। উত্তরের জাতীয় উদ্যানে যেতে হয় কাঁচা রাস্তা ধরে, যেখানে উঁচু গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের গাড়ি চালানোই সবচেয়ে ভালো, আর উদ্যানটির নিজস্ব প্রবেশের নিয়ম ও খোলার সময় আছে। ক্রালেনডাইক ও উপকূলীয় সড়ক ঘুরে দেখার জন্য সাইকেল ও ই-বাইক আনন্দদায়ক উপায়। 2011 সালের 1 জানুয়ারি থেকে মার্কিন ডলার সরকারি মুদ্রা, তাই দাম ডলারে লেখা থাকে এবং কার্ড ব্যাপকভাবে গ্রহণ করা হয়।

আবহাওয়া ও কখন যাবেন

বোনেয়ার সারা বছর উষ্ণ, শুষ্ক ও বাতাসময়। গড় তাপমাত্রা প্রায় 27.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঋতুভেদে পার্থক্য খুবই কম, আর বার্ষিক বৃষ্টিপাত মাত্র প্রায় 520 মিলিমিটার, যার বেশির ভাগ হয় অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে, সাধারণত অল্প সময়ের ঝাপটায়। একটানা বয়ে চলা বাণিজ্য বায়ু গরমকে সহনীয় রাখে এবং পূর্ব উপকূলকে উইন্ডসার্ফিংয়ের নির্ভরযোগ্য জায়গা করে তোলে।

দ্বীপটি আটলান্টিক হারিকেনের প্রধান উৎপত্তি অঞ্চলের বাইরে, তাই সরাসরি আঘাত বিরল, যদিও পাশ দিয়ে যাওয়া ঝড় মাঝে মাঝে ভারী বৃষ্টি বা উত্তাল সমুদ্র নিয়ে আসে। প্রতিটি ঋতুতেই ডাইভ করা যায়, তাই ডুবুরিরা সারা বছর আসেন। সবচেয়ে ব্যস্ত মাস মোটামুটি ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল, যখন উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের পর্যটকেরা শীত থেকে পালিয়ে আসেন এবং ভাড়ার বাসস্থান আগেভাগে বুক হয়ে যায়; বসন্তের শেষভাগ ও গ্রীষ্ম গরম ও নিরিবিলি, তখন আড়ালের উপকূলে সমুদ্র শান্ত থাকে এবং থাকার জায়গাও সহজে পাওয়া যায়।

জেনে রাখা ভালো

বোনেয়ার কি স্নরকেলিং ও ডাইভিংয়ের জন্য ভালো?

হ্যাঁ। বোনেয়ারের প্রবালপ্রাচীর বাতাসের আড়ালের তীরের কাছেই, তাই চিহ্নিত কয়েক ডজন জায়গা থেকে হেঁটেই পানিতে নামতে পারেন, আর 1979 সাল থেকে পুরো উপকূলরেখা সামুদ্রিক উদ্যান হিসেবে সংরক্ষিত। ক্রালেনডাইক থেকে নৌকায় অল্প পথের ক্লেইন বোনেয়ারে আরও প্রাচীর ও সৈকত আছে।

বোনেয়ারে থাকার সবচেয়ে ভালো জায়গা কোনটি?

যাঁরা হেঁটে রেস্তোরাঁ ও দোকানে যেতে চান, তাঁদের জন্য ক্রালেনডাইক। শহরের উত্তরের উপকূলীয় সড়ক সেই ডুবুরিদের জন্য, যাঁরা নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট বা ভিলা থেকেই তীরে নামতে চান। বিমানবন্দরের দক্ষিণের নিরিবিলি এলাকা পরিবার ও দীর্ঘ থাকার জন্য, লাক বে উইন্ডসার্ফারদের জন্য, আর রিনকন স্থানীয়, গ্রামীণ ছন্দ চান এমনদের জন্য।

বোনেয়ারে কোন মুদ্রা চলে?

নেদারল্যান্ডসের বিশেষ পৌরসভা হওয়ার পর, 2011 সালের 1 জানুয়ারি থেকে বোনেয়ারের সরকারি মুদ্রা মার্কিন ডলার। দাম ডলারে লেখা থাকে এবং কার্ড ব্যাপকভাবে গ্রহণ করা হয়, তবে ছোট দোকান ও রাস্তার ধারের স্টলে নগদ টাকা কাজে লাগে।

বোনেয়ারে কি গাড়ি লাগবে?

হ্যাঁ, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। গণপরিবহন সীমিত, আর তীরের ডাইভ সাইট, সৈকত ও জাতীয় উদ্যানগুলো দ্বীপজুড়ে ছড়ানো। অনেক ডুবুরি সরঞ্জাম বহনের জন্য পিকআপ ট্রাক ভাড়া নেন। গাড়ি চলে ডান দিক দিয়ে, আর উত্তরের উদ্যানের কাঁচা রাস্তায় উঁচু গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের গাড়িই সবচেয়ে ভালো।

বোনেয়ারে যাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় কখন?

বোনেয়ারে সারা বছরই যাওয়া যায়: দ্বীপটি শুষ্ক, রৌদ্রোজ্জ্বল ও বাতাসময়, আর হারিকেনের প্রধান বলয়ের বাইরে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। সামান্য যেটুকু বৃষ্টি হয়, তার বেশির ভাগ অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে, আর গ্রীষ্মে থাকে গরম আবহাওয়া, আড়ালের উপকূলে শান্ত সমুদ্র ও কম পর্যটক।

বোনেয়ারে কোথায় ফ্লেমিঙ্গো দেখা যায়?

ফ্লেমিঙ্গোরা প্রজনন করে পেকেলমেরে — দক্ষিণের লবণক্ষেত্রের ভেতরে একটি সংরক্ষিত অভয়ারণ্য, যেখানে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ — আর প্রায়ই তাদের কাছের লেগুন ও লবণ-পুকুরে এবং উত্তরের ওয়াশিংটন স্লাগবাই জাতীয় উদ্যানে খাবার খুঁজতে দেখা যায়। ওদের যাতে বিরক্ত না করা হয়, সেজন্য দূর থেকে দেখুন।

বোনেয়ার কি নেদারল্যান্ডসের অংশ?

হ্যাঁ। 2010 সালের 10 অক্টোবর থেকে সিন্ট ইউস্টেশিয়াস ও সাবার সঙ্গে বোনেয়ার নেদারল্যান্ডসের একটি বিশেষ পৌরসভা, আনুষ্ঠানিক পরিচয়ে যা একটি "পাবলিক বডি" বা সরকারি সংস্থা। দ্বীপে ওলন্দাজ আইন প্রযোজ্য, তবে এখানে ইউরোর বদলে মার্কিন ডলার চলে।

এআই-এর সহায়তায় গবেষণা ও লেখা হয়েছে, তারপর নিচের উৎসগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। সর্বশেষ যাচাই: ।

উৎস (12)

Kralendijk-এর কাছাকাছি গাইড